ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম

শিক্ষার্থীদের জন্য সময় ব্যবস্থাপনা কৌশলঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম মানে হল আপনার বাসার ভিতর বাইরে থেকে যে ট্রাফিকের শব্দ আসে সেই শব্দের মাত্রা মোবাইল বা ডিভাইস দিয়ে মেপে রেকর্ড রাখা। এটি হলো নয়েজ লেভেল লগ করা। এবং এই বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

ঘরে-বসে-সিটি-ট্রাফিক-নয়েজ-লেভেল-লগ-করার-নিয়ম
ঘরে বসে থাকলে রাস্তায় চলা গাড়ি বাস মোটর সাইকেলের হর্নের শব্দ প্রায়ই আমাদের ঘরে পৌঁছে এই শব্দগুলো অনেক সময় মাথাব্যথা ঘুমের সমস্যা মনোযোগ কমে যাওয়া বা টেনশন বাড়ানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায় আমরা জানবো ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম।

পেজ সূচিপত্রঃ ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম

ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম

শহরে বাস করলে রাস্তায় চলা গাড়ি বাস মোটরসাইকেলের  শব্দ আমাদের ঘরে এসে পৌঁছায় কখনো এই শব্দ বেশি জোরে হয় আবার কখনো আসতে হয়। অনেক সময় আমরা ঠিক বুঝতে পারি না আসলে কতটা শব্দ আসছে সেই কারণেই ঘরে বসে ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করা খুব কাজে আসে সহজ ভাবে বলতে গেলে নয়েজ লেভেল লগ মানে হলো বাইরে থেকে আসা শব্দ কতটা জোর হচ্ছে সেটা মাপা এবং রেকর্ড করা। এটা করার জন্য আপনাকে কোন যন্ত্র পাতি বা বিশেষ প্রশিক্ষণ লাগবে না। 

এখনকার সময়ে স্মার্টফোন দিয়ে খুব সহজে নয়েজ লেভেল মাপা যায়। শুধু একটি নয়েজ মাপার অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে ফোনে উদাহরণ হিসাবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন সাউন্ড মিটার আরো ইত্যাদি এই অ্যাপগুলো আপনার ফোনের মাইক্রোফোন ব্যবহার করে রিয়েল টাইমে শব্দের মাত্রা দেখায় নয়েজ লেভেল মাপার সময় সাধারণত DB বা ডিসিবেল ইউনিট ব্যবহার করা হয় 
এই ইউনিটে বোঝা যায় শব্দ কতটা জোরে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় সাধারণ ঘরের শব্দ থাকে ৩০ থেকে ৪০ ডিবি শহরের রাস্তায় শব্দ ৫০ থেকে ৭০ ডিবি হতে পারে আর হর্ন বাজানো বা  ট্রাক গেলে ৮০ থেকে ৯০ পর্যন্ত পৌঁছায় ঘরে বসে নয়েজ লগ করতে গেলে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলা ভালো। প্রথমে আমরা ফোন বা যন্ত্রটি একটা জায়গা তে রাখবেন যেমন টেবিল মাটি থেকে প্রায় এক ফুট উপরে জানালার কাছাকাছি রাখলে বাইরের ট্রাফিকের শব্দ ভালোভাবে ধরা যায় 

যদি জানালা খোলা থাকে সেটা মনে রাখবেন কারণ  জানালা খোলা  থাকলে শব্দ বেশি ধরা পড়ে  দিনে বিভিন্ন সময় রেকর্ড করা ভালো সকালে দুপুরে এবং রাতে এর ফলে আপনি দেখতে পাবেন কোন সময় ট্রাফিকের নয়েজ সবচেয়ে বেশি কোন সময় কম এখানে সময় অবস্থান জানালা খোলা বা বন্ধ শব্দের মাত্রা ইত্যাদি গুলো লিখে রাখবেন

এই কাজ করার সুবিধা হল আপনি সহজেই নিজের এলাকার শব্দ পরিস্থিতি জানতে পারবেন স্বাস্থ্য ঝুঁকি যেমন ঘুমের সমস্যা মাথাব্যথা টেনশন বা পড়াশোনায় মনোযোগ প্রভাব কতটা হচ্ছে সেটা বোঝা সহজ হবে এছাড়া যদি কখনো প্রতিবেশী বা স্থানীয় প্রতিপক্ষের শহরের শব্দ দূষণ নিয়ে অভিযোগ করতে হয় আপনি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে আপনার নয়েজ লগ দেখাতে পারবেন

ট্রাফিকের শব্দ আসলে কি এবং কেন সমস্যা হয়

শহরে চলাফেরা করার সময় রাস্তা বা সড়কগুলোতে অনেক গাড়ি বাস মোটরসাইকেল চলে এগুলো চলার সময় যে শব্দ হয় তাকে ট্রাফিকের শব্দ বলা হয় সহজ ভাষায় বলতে গেলে রাস্তা থেকে যে আওয়াজ আসে, হর্ন বাজানো ইঞ্জিনের আওয়াজ বা ট্রাক বাস চলার শব্দ সবই হলো ট্রাফিক নয়েজ। প্রথমে মনে হতে পারে এটা তো স্বাভাবিক কিছু কিন্তু দিনের পর দিন এই শব্দ মানুষের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে

বেশি শব্দের কারণে মানুষ মাথা ব্যথা ঘুমের সমস্যা মানুষের মনোযোগ কমে যাওয়া বা মানসিক চাপ অনুভব করতে পারে বিশেষ করে যারা ঘরে বসে পড়াশোনা করে বা কাজ করে তাদের জন্য ট্রাফিকের শব্দ খুব বিরক্তকর হতে পারে এবং সমস্ত কাজে বাধাগ্রস্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কারণ নয়েজের কারণে মানুষ তার কাজে মনোযোগ বসাতে পারে না শুধু আমাদের মনেই নয় আমাদের স্বাস্থ্যের ও প্রভাব পড়ে।

ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম উচ্চমাত্রার শব্দ লম্বা সময় থাকলে শুনার সমস্যা হতে পারে রক্তচাপ বাড়তে পারে এমনকি স্টেজ বা অবসাদ হতে পারে ছোট বাচ্চা বা বৃদ্ধদের জন্য এই ধরনের শব্দ অনেক ক্ষতিকর হতে পারে আরেকটা সমস্যা হলো ট্রাফিকের শব্দ মানুষকে মানসিকভাবে বিরক্ত করে অনেক সময় আমরা ঠিক করে শুনতে পারি না নিজের ঘরে শান্তভাবে কথা বলা বা পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। 

তাই শহরে বাস করলে শুধু শব্দ দূষণ মানে শুধু আওয়াজ নয় এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের মান ও স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় সমস্যা সংক্ষেপে বলা যায় ট্রাফিকের শব্দ হল রাস্তার আওয়াজ ছোটখাট মনে হলেও দিনের পর দিন বেশি শব্দ আমাদের ঘুম মনোযোগ এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে চলেছে তাই এই শব্দের মাত্রা মাপা এবং বুঝা জরুরি যাতে আমরা নিজের ঘর বা জীবনকে শান্ত এবং সুস্থ রাখতে পারি

ট্রাফিকের সাথে অনেক সময় আমাদের জীবনে এমন ভাবে ঢুকে যায় যে আমরা বুঝতেই পারি না কোনটা স্বাভাবিক আর কোনটা বিরক্তিকর কারণ রাস্তা অনেক সময় গাড়ি চললে বা হর্ন বাজালে আমাদের শরীরের ভেতরেও একটা অস্থিরতা তৈরি হয় এটা এমন নয় যে শুধু বাইরের শব্দ হচ্ছে বলেই সমস্যা। বরং শব্দ যত বাড়ে, মন তত অস্থির হয়। অনেকে বলে আমার মাথা ধরে যাচ্ছে এটা আসলেই সত্যি দীর্ঘদিন ধরে বেশি শব্দে থাকলে মাথাব্যথা মন খারাপ ঘুম না হওয়া এগুলো খুব সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া ঘরের ভেতরে বসে কাজ করা বা পড়াশোনা করা ঠিক অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে মনে হয় মনোযোগ ভেঙ্গে যাচ্ছে কিছুতেই ফোকাস করা যাচ্ছে না যাদের ছোট বাচ্চা আছে তাদের ঘুম ভেঙ্গে যায় বয়স্ক মানুষেরা এই শব্দে আরও বেশি বিরক্ত হন। অনেক সময় আমরা রোগী বা টেনশন এ আছি মনে হয় কিন্তু আসলে আশেপাশের শব্দই আমাদের মনকে চাপ দিচ্ছে।

ঘরে বসে শব্দ মাপা বলতে কী বোঝায়

ঘরে বসে শব্দ মাপা বলতে খুব সহজ একটা বিষয় বোঝায় আপনার ঘরের আশেপাশে কতটা শব্দ হচ্ছে সেটা মোবাইল বা ছোট একটা ডিভাইস দিয়ে দেখে নেওয়া বা মেপে নেওয়া যেমন আমরা তাপমাত্রা দেখি বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখি ঠিক তেমনি শব্দের একটা মাত্রা থাকে যেটা ডিবি বা ডিসিবেল বলে দেখায় এই DB টাই হলো শব্দ মাপের যন্ত্র। শব্দ বেশি নাকি কম এইটার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি ।

যেমন ধরেন আপনি ঘরে বসে আছেন বাইরে রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছে বা হর্ন বাজছে এই শব্দ আসলে কতটা জোরে লাগছে এটা আমরা আন্দাজে বলি অনেক শব্দ হচ্ছে বা কম শব্দ হচ্ছে কিন্তু মাপলে পরিষ্কার বোঝা যায় শব্দ কতটা বা কত ডিবি ঘরটা শান্ত নাকি খুব বেশি শব্দ ঢুকছে এই মাপটাই আসল শব্দ মাপা এবং এই শব্দের  মাত্রাকে DB দিয়ে প্রকাশ করা হয় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আমরা এই শব্দের মাত্রাটা জানতে পারি।

এটা করতে কোন বিশেষ যন্ত্র লাগে না আপনার ফোনে একটা নয়েজ মিটার অ্যাপ ইন্সটল করলেই হবে আপনি ফোনটা ঘরে রেখে অ্যাপটা চালু করবেন আর অ্যাপ আপনাকে দেখাবে এখন শব্দ কত db চাইলে দিনে বিভিন্ন সময় মাপতে পারেন সকল দুপুর বা রাত এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন সময় কত মাত্রায় শব্দ হচ্ছে কখন কম হচ্ছে এবং কখন বেশি শব্দ হচ্ছে এ সমস্ত বিষয়গুলো আপনি জানতে পারবেন খুব সহজেই।

ঘরে বসে শব্দ মাপার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ঘরটা শব্দের দিক থেকে আরামদায়ক কিনা যদি শব্দ খুব বেশি থাকে তাহলে জানালা বন্ধ করবেন পর্দা লাগাবেন দরজা ফাঁক ঠিক করবেন মানে শব্দ কমানোর ব্যবস্থা নিতে পারেন জানালা দরজা সব লাগিয়ে রাখবেন তাহলে শব্দ কম হবে এবং আপনার ঘরটা শব্দ দূষণমুক্ত হয়ে থাকবে আপনি আরাম করে থাকতে পারবেন আপনার সমস্ত কাজে মনোযোগ বসাতে পারবেন ।

ঘরে বসে শব্দ মাপা মানে মূলত নিজের আশেপাশে পরিবেশটা বুঝে নেওয়া আমরা অনেক সময় ভাবি এইতো স্বাভাবিক শব্দ কিন্তু আসলে সেই শব্দটা কতটা বেশি বা কম সেটা না ভাবলে ঠিক বোঝা যায় না ঘরে বসে শব্দ মাপা আপনাকে সেই ধারণাটা পরিষ্কার করে দেবে এটা দিয়ে ঠিক যেন আপনি নিজের ঘরের বাতাস কেমন গরম বা ঠান্ডা তাহাতে চেয়ে মাপার মতো সহজ আরামদায়ক হয়ে উঠবে।
ঘরে-বসে-সিটি-ট্রাফিক-নয়েজ-লেভেল-লগ-করার-নিয়ম
আরেকটা বড় বিষয় হল আমরা প্রতিদিন যে শব্দ বা শব্দের মধ্যে থাকি সেটা আমাদের শরীরের উপর কতটা চাপ দিচ্ছে তা অনেকেই বুঝতে পারি না শব্দটা যদি একটু বেশি হয় আমরা বিরক্ত হই মনোযোগ নষ্ট হয় এগুলোই দেখার জন্য শব্দ মাপা সাহায্য করে এটি একটি জানতে দেয় আপনি কি শান্ত পরিবেশে আছেন নাকি আপনার চারিপাশে শব্দ আপনাকে ঘিরে রয়েছে এই সমস্ত বিষয়গুলো আপনি খুব সহজেই জানতে পারেন।

নয়েজ লেভেল বা DB মানে  সহজ ভাষায় কি

নয়েজ লেভেল বা DB আসলে খুব একটা সহজ বিষয়। এটা হল শব্দ কত জোরে হচ্ছে তার একটা মাপ যেমন ওজন মাপার জন্য কেজি লাগে তাপমাত্রা মাপার জন্য ডিগ্রী লাগে ঠিক তেমনি শব্দ মাপার জন্য ডিবি লাগে যার পুরো নাম হলো ডেসিবেল এর মাধ্যমে আমরা শব্দের মাত্রা জানতে পারি এবং এই শব্দের মাত্রাকেই বলে DB এ সমস্ত শব্দ মাপার যন্ত্র আলাদা করে কিনতে হচ্ছে না কারণ আমরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শব্দের মাত্রা মাপতে পারি এখন।

ধরেন আপনি ঘরে বসে আছেন বাইরে হালকা বাতাস বইছে এটা খুব কম শব্দ আবার রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছে এখন বাজছে এটা জোরে শব্দ আমরা মুখে বলি শব্দটা কম বা শব্দটা বেশি কিন্তু ডিবি আমাদের সংখ্যায় বলে দেয় শব্দটা আসলে কত জোরে যেন আন্দাজ না করে ঠিকঠাক জানা যায় আমাদের শব্দের মাত্রাটা নম্বর আকারে দেখায় যার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই জানতে পারি শব্দের মাত্রা কত কত জোরে হচ্ছে এবং কত আস্তে।

যেমন ধরেন আপনি ঘরে বসে আছেন জানালা দিয়ে রাস্তার শব্দ আসছে আপনার মনে হচ্ছে শব্দ টা একটু বেশি আবার মনে হচ্ছে হয়তো আসতে কিন্তু আসলে শব্দটা কতটা জোরে বা আসছে এটা আমরা আন্দাজ করি ডিবিসি আন্দাজকে সঠিক করে দেয় ফোনের অ্যাপে দেখলে হয়তো দেখা যাবে এখন শব্দ হচ্ছে ৬৫ ডিবি এতে আপনি নিশ্চিত ভাবে বুঝলেন হ্যাঁ শব্দটা মাঝারি ধরনের এই অ্যাপসের মাধ্যমে শব্দের মাত্রা খুব সুন্দর ভাবে বোঝা যায়।
নয়েজ লেভেল এমন বোঝাই শব্দ টা আমাদের উপর কতটা প্রভাব ফেলতে পারে শব্দ কম হলে আমরা শান্তি থাকি মনের ওপর চাপ কম পড়ে কিন্তু ডিবি যদি বাড়তে থাকে তখন আমাদের মাথা ভার লাগে মনোযোগ নষ্ট হয় ঘরে থাকা অস্বস্তিকর লাগে তাই DB শুধু সংখ্যা না এটা একটু বোঝায় আমাদের পরিবেশ কতটা আরামদায়ক এবং আমরা ঠিক কতটা শব্দ দূষণ থেকে বেঁচে রয়েছি বা কতটা শব্দের মধ্যে রয়েছে।

এটাকে আপনি আবার এমন ভাবেও ভাবতে পারেন যেমন ফোনের ব্যাটারি শতকরা কত আছে যেটা দেখে আমরা বুঝি কতক্ষণ চলবে ঠিক তেমনি ডিবি দেখলেই বোঝা যায় শব্দটা আমাদের আরাম নষ্ট করবে কিনা মানে এটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে খুবই সহজে মিলে ফেলা যায় আরেকটা ব্যাপার হল ডিবি সোনার শক্তি একাই বলি না বরং শব্দ কতটা দূর থেকে আসছে কতক্ষণ ধরে আসছে এসব বোঝাই তাই নয়েজ লেভেল জানা থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন আপনার ঘরে শব্দ বেশি ঠুকছে বা কখন কম ঢুকছে বা কখন পরিবেশটা শান্ত আছে।

সিটি ট্রাফিকের শব্দ ঘরে কতটা আছে কিভাবে বুঝবেন

ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম সিটি ট্রাফিকের শব্দ ঘরে কতটা ঢুকছে সেটা বোঝা আসলে খুব কঠিন কিছু নাই ঠিক যেমন আমরা বুঝতে পারি গরম বেশি নাকি কম শব্দ এভাবে বোঝা যায় শুধু একটু খেয়াল করলেই বুঝে ফেলতে পারবেন শব্দটা আপনার ঘরে কতটা প্রভাব ফেলছে যদি দেখেন আপনি দরজা জানালা বন্ধ করে বসে আছেন তারপরও গাড়ির আওয়াজ হওয়ার শব্দ বা ব্রেক চাপার শব্দ বেশ পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন শব্দটা ঘরে ভালোভাবেই ঢুকছে

আবার কখনো মনে হবে আপনি কিছু একটা পড়ছেন বা মোবাইল স্ক্রল করছেন কিন্তু হঠাৎ শব্দে মনোযোগ ভেঙ্গে যাচ্ছে এটাও বোঝায় শব্দের মাত্রা বেশ বেশি সকলে বাড়াতে যদি শব্দটা একটু কম মনে হয় আবার দুপুরের দিকে বেশি মনে হয় তাহলে বুঝবেন শব্দের পরিমাণ সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে শহরে সাধারণত সকাল বিকেলে ট্রাফিক বেশি থাকে তাই সে সময় শব্দ ঘরে বেশি ঢোকে ঘরের ভিতর কোন কোন পাশে শব্দ বেশি আছে সেটাও খেয়াল করলে বোঝা যায় যেমন রাস্তার দিকে ঘর হলে শব্দের মাত্রাটা একটু বেশি হয়

আরো ভালোভাবে বুঝতে চাইলে ফোনে থাকা নয়েজ মিটার অ্যাপটা চালিয়ে একটু খেয়াল করলেই হবে যখন শব্দ বেশি মনে হবে তখন অ্যাপ কত দেখাচ্ছে এভাবে দুইটা তুলনা করে পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবেন আসলে শব্দ কতটা ঢুকছে আপনি অনুভূতিটা আর সংখ্যাটা মিলিয়ে দেখতে পারবেন কোন সময় বেশি শব্দ আর কোন সময় একটু কম শব্দ এ সমস্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনি যদি বিভিন্ন সময় আপনার ফোনের মাধ্যমে শব্দের মাত্রা মাপ করেন তাহলে বুঝতে পারবেন কোন সময় বেশি শব্দ হচ্ছে আর কোন সময় কম

অনেক সময় আমরা বুঝতে পারি না কিন্তু টিভির ভলিউম বাড়াতে হচ্ছে কিনা কিংবা ফোনে কথা বলার সময় কান এর কাছে ধরে জোরে কথা বলতে হচ্ছে কিনা এইসব ও ভালো ইঙ্গিত যে ট্রাফিকের শব্দ ঘরে ঢুকে আবার যদি ঘরে কথা বলার সময় মনে হয় শব্দটা ঢাকতে আপনাকে একটু জোরে কথা বলতে হচ্ছে তাতে বোঝা যায় শব্দের মাত্রা ঠিক কতটা একেবারে ক্লিয়ার হওয়ার জন্য আপনি নয়েজ মিটার ব্যবহার করে শব্দের মাত্রাটা জানতে পারবেন।

নয়েজ মাপার জন্য আপনার কি কি লাগবে

নয়েজ মাপার জন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু লাগবে না ঘরে বসে একদম সহজ ভাবে শব্দ মাপতে চাইলে শুধু কয়েকটা সাধারন জিনিস থাকলেই হয় প্রথমত আপনার একটা মোবাইল ফোন থাকতেই হবে তারপরে কাজ হয়ে যাবে কারণ এখন মোবাইলে নয়েজ মিটার বা সাউন্ড মিটার নামে অনেকে পাওয়া যায় যেগুলো দিয়ে শব্দের ডিবি খুব সহজেই বোঝা যায় যার মধ্যে আমরা আমাদের শব্দ দূষণের মাত্র খুব সহজেই বুঝতে পারি।

আপনাকে আলাদা কোন দামে যন্ত্র কেনার দরকার নেই ফোনটা একটু চার্জ থাকা ইন্টারনেট দিয়ে অ্যাপ ডাউনলোড করা এইটুকু লাগবে অ্যাপ ইন্সটল হয়ে গেলে ফোনটি আপনার শব্দ মাপার যন্ত্র হয়ে যাবে এটাকে যেখানে রাখবেন সেই জায়গার শব্দই দেখাবে এর বাইরে আরেকটা কাজ হল যে জায়গায় শব্দ মাপবেন সেটা একটু শান্তভাবে রাখলে বেশি সঠিক ফল পাবেন মানে ঘরে ফ্যান বা টিভি খুব জোরে চললে নয়েজ লেভেল ভুল দেখাতে পারে তাই এগুলো কমিয়ে দিলে আরো ভালোভাবে শব্দ মাপা যাই।

আমরা বিভিন্ন সময় পড়াশোনা করার সময় বা কোন কাজ করার সময় শব্দের কারণে আমাদের কাজে মনোযোগ বসাতে পারিনা বিরক্তবোধ লাগে এবং আমরা কাজটা ঠিক কোন সময় করব এইটা ঠিক করার জন্য আমরা এই নয়েজ মিটারটা ব্যবহার করতে পারি এই নয়েজ মিটারের মাধ্যমে আমরা সকাল দুপুর এবং রাত্রের নয়েজের মাত্রাটা রেকর্ড করব এবং দেখবো ঠিক কোন সময় নয়েজের মাত্রাটা কম সেই অনুযায়ী আমরা যদি কাজ করি তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে।

মোবাইল অ্যাপ দিয়ে শব্দ মাপার সহজ পদ্ধতি

মোবাইল অ্যাপ দিয়ে শব্দ মাপা আসলে খুব একটা সহজ কাজ এখন যে কোন স্মার্টফোন এই নয়েজ মিটার বা সাউন্ড মিটার অ্যাপ পাওয়া যায় শুধু ফোনে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে এবং এটি চালু করলেই আপনি আপনার ঘরের আশেপাশের শব্দের মাত্রা জানতে পারবেন অ্যাপটা খুললে প্রথমে ফোনের মাইক্রোফোন ব্যবহার করার জন্য অনুমতি দিতে হবে কারণ একটি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে যে শব্দ আসছে তা ধরবে এবং ডিবি হিসেবে দেখাবে।

এরপর ফোনটি এমন স্থানে রাখুন যেখানে আপনি শব্দ মাপতে চান তাহলে ফলাফলের জন্য ফোনটি স্থির রাখা জরুরি যদি ফোন নড়াচড়া করে বা হাতের মধ্যে থাকে তাহলে মাপার ফল ঠিক আসবে না কারণ হাতের শব্দ বা নড়াচড়া শব্দ ধরে নিবে এর ফলে সাউন্ড অনেক বেশি দেখাতে পারে তাই ফোনটি একটি জায়গায় রাখুন যেখানে শব্দ হওয়ার কোন চান্স থাকবে না এমন জায়গায় রাখুন যেখানে সাধারন শব্দগুলো যাতে ধরতে পারে আপনার ফোনের মাইক্রোফোন টেবিলের উপরে রাখুন এবং আপনি আপনার কোন শব্দ করবেন না।

এরপর আপনার অ্যাপস দেখতে পাবেন কতটা শব্দ হচ্ছে কখন শব্দ কম বা বেশি অনেক অ্যাপে একটা ছোট গ্রাফ থাকে যাতে দেখায় শব্দ কেমনভাবে ওঠানামা করছে কিছু আপ এমনও দেয় যে আপনি লগ করা এটা পড়ে দেখতে বা এক্সপোর্ট করতে পারবেন এতে করে আপনি দিনের বিভিন্ন সময়ের শব্দ কতটা ওঠে নামে তা সহজে তুলনা করতে পারবেন নয়েজ মাপার সময় খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই।

শুধু ফোন স্থির রেখে কয়েক মিনিট বসে থাকলে হয়ে যাবে এটা এমন একটি সহজ কাজ যা করতে কোন বিশেষ জ্ঞান বা যন্ত্রের প্রয়োজন নেই শুধুমাত্র আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়ে মোবাইল অ্যাপ দিয়ে আপনি ঘরের পরিবেশ বা রাস্তার শব্দ কতটা আছে তা সহজে বুঝে নিতে পারবেন আপনার আশেপাশে ঠিক কতটা শব্দ হচ্ছে বা শব্দের মাত্রা কত এ সমস্ত কিছু আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন।

ঘরের ভিতরে শব্দ কমানোর সহজ টিপস

ঘরের ভেতরে শব্দ কমানোর জন্য অনেক জটিল কিছু করার দরকার নেই কয়েকটা সহজ কাজ করলে অনেকটা শান্তি ফিরিয়ে আনা যায় সবচেয়ে সহজ হলো জানালার দিকে খেয়াল রাখা জানালার ফাঁক দিয়ে যদি ফাঁক থাকে তাতে বাইরের ট্রাফিকের শব্দ ঢুকতে পারে তাই জানালায়  Weather strip লাগালে শব্দ অনেকটা কমে যাবে বাইরের শব্দ ভিতরে আসতে দিবে না এবং আপনার ঘর শব্দ মুক্ত হয়ে থাকবে।

মোটা পর্দা বা মোটা গ্লাস ব্যবহার করে সাহায্য হয় এতে বাইরে শব্দ কম আছে যদি সম্ভব হয় তাহলে ডাবল গ্লাস লাগাতে পারেন এতে রাস্তার শব্দ অনেকটাই বন্ধ হয় ফ্লোরের কার্পেট বা রাগ দেওয়া হলে যেগুলো শব্দ শোষণ করে দরজার নিচে ফাঁকা থাকে এগুলো ঢেকে দিলে বাইরে শব্দ কম আসবে। এবং বাইরের কোন কোন জায়গা ফাঁকা আছে সে জায়গাগুলো বন্ধ করে দিলে বাড়ির শব্দ অনেকটাই কমে যাবে।

সর্বোপরি ছোট ছোট ও পরিবর্তন করলেই ঘরে বসে অনেক শান্ত পরিবেশ পাওয়া যায় জানালা বন্ধ রাখা মোটা পর্দা রাখ দরজার ফাঁক ঢেকে দেওয়া এগুলো সবচেয়ে কার্যকর সহজ টিপস এতে শুধু ট্রাফিক নয়েজ কমবে না ঘরোয়া আরামদায়ক হবে কারণ শব্দ দূষণ যত কম মনের শান্তি ততই ভালো তাই শব্দ দূষণ থেকে বাঁচতে হলে এই সমস্ত টিপসগুলো কাজে লাগিয়ে আপনার ঘরকে একটু আরামদায়ক করতে পারেন যার মাধ্যমে আপনার ঘরে খুব কম শব্দ আসবে এবং আপনার মাথা ব্রেন সবকিছু ঠান্ডা থাকবে এবং আপনি আপনার কাজ  করতে পারবেন।

দিনে কোন সময় শব্দ মাপলে সবচেয়ে সঠিক ফল পাওয়া যায়

শব্দ মাপার সময় দিনে কখন মাপবেন এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ শহরের ট্রাফিক সব সময় একরকম থাকে না সকলে রাস্তা তুলনামূলক ভাবে বেশি ব্যস্ত থাকে আবার তাই সেই সময় শব্দ বেশি হয় আবার দুপুরে অনেক সময় ট্রাফিক কিছুটা কমে আর রাতে অনেক জায়গায় কম মাঝারি থাকে শব্দ মাপার জন্য ভালো হবে তিনটা সময়ে মাপা সকাল দুপুর এবং রাত সকালে মাপলে বোঝা যায় যে ট্রাফিক বেশি থাকলে ঘরে কতটা শব্দ ঢুকছে দুপুরে মাপলে বোঝা যায় যখন রাস্তা কিছুটা শান্ত থাকে তখন ঘরে কতটা শান্তি থাকে।

এই সমস্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমরা যদি মাপি তাহলে আমরা একটু আন্দাজ করতে পারব আবার রাতে মাপলে বোঝা যায় দিনের শেষ দিকে ঘরটা কতটা শান্ত বা ট্রাফিকের শব্দ কতটা প্রবেশ করছে শুধু সময় নয় অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ফোন বা ডিভাইস স্থির জায়গায় রাখা উচিত যেন ঘরের কোনটা শান্ত এবং কোনটা রাস্তার দিকে বেশি শব্দ আছে তা বোঝা যায় একবার নির্দিষ্ট সময়ে কয়েক মিনিট বসে মাপা হলে সে সময় এর সমস্ত বিষয়গুলো লিখে রাখা যেটা খুব কাজে আসে।
ঘরে-বসে-সিটি-ট্রাফিক-নয়েজ-লেভেল-লগ-করার-নিয়ম
সাধারণভাবে বলতে গেলে দিনে সকাল দুপুর আর রাত এই তিন সময় মাপা হলে পুরো দিনের শব্দের ছবি পরিস্কার ভাবে পাওয়া যায় এতে বোঝা যায় কখন বেশি শব্দ আর কখন কম শব্দ এবং কখন ঘরটা সবচেয়ে শান্তশিষ্ট্য থাকে এইভাবে মাপ করে আমরা আমাদের ঘরের শব্দের মাত্রা খুব সহজেই জানতে পারি এবং আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় কাজ আমরা আরামে করতে পারি বিভিন্ন কাজ থাকে আমরা শব্দের জন্য করতে পারি না আমরা মাপের পর যখন কম শব্দ থাকবে তখন আমরা আমাদের সেই কাজগুলো করতে পারব।

ঘরে বসে সিটি ট্রাফিক নয়েজ লেভেল লগ করার নিয়ম শেষ কথা

ঘরে বসে ট্রাফিকের শব্দ মাপা এখন অনেক সহজ আগে মানুষ ভাবতো এটি জটিল বা বিশ্বের যন্ত্র ছাড়া সম্ভব নয় কিন্তু আজকাল শুধু একটি স্মার্টফোন এবং একটি নয়েজ মিটার অ্যাপ যথেষ্ট ফোনের মাইক্রোফোন ব্যবহার করে আপনি ঘরের ভেতরে বা বাইরের শব্দ কতটা এবং এর মাত্রা কত খুব সহজেই দেখে নিতে পারেন দিনে বিভিন্ন সময় মাপ হলে বোঝা যায় কখন শব্দ বেশি আর কখন কম এটা আপনাকে নিজের ঘরের শান্তি এবং আরামদায়ক পরিবেশ সম্পর্কে পরিকল্পনা পরিষ্কার ধারণা দিবে।

নয়েজ লগ রাখা সে তো নিজের সুবিধার জন্য নয় এটি আমাদের স্বাস্থ্য ও মানসিক শান্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ যখন আমরা জানি কোন সময়ে ট্রাফিকের শব্দ বেশি তখন আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারি যেমন দরজা বা জানালা বন্ধ রাখা মোটা পর্দা ব্যবহার করা ঘরে কার্পেট রাখা দরজা ফাঁকা বন্ধ করা এসব ছোট ছোট পরিবর্তনকে আমরা ব্যবহার করে আমাদের ঘরকে শান্ত রাখতে পারি এ সমস্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমরা আমাদের ঘরকে নয়েজ মুক্ত করতে পারি।

সব মিলিয়ে বলতে গেলে ঘরে বসে নয়েজ লেভেল মাপা মানে হলো নিজের আশেপাশের পরিবেশকে বোঝা শান্তিনি নিশ্চিত করা এবং যখন প্রয়োজন তখন ব্যবস্থা নেওয়া এটি কোন জটিল বা কঠিন কাজ নয় খুব সহজভাবে আপনার মোবাইল ফোন কয়েক মিনিট এবং মনোযোগ থাকলেই আপনি ঘরকে আরামদায়ক ও শান্ত রাখতে পারবেন এমনকি আপনি চাইলে এই ডেটা ভবিষ্যতে অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারবেন যেমন নিজের  রিসার্চে বা এলাকার শব্দ দূষণ কমানোর জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষকেও দেখাতে পারবেন। 251126

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
TrendGhor-এ কমেন্ট করুন।

TrendGhor-এ কমেন্ট করুন।